জেব্রা দম্পতি সুমন-সুমনার ঘরে এলো ‘নতুন অতিথি’ - The News Lion

জেব্রা দম্পতি সুমন-সুমনার ঘরে এলো ‘নতুন অতিথি’




ঢাকা প্রতিনিধি : বাংলাদেশের কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে জেব্রা দম্পতি সুমন-সুমনা। তাদের ঘরে সদ্য জন্ম নিয়েছে নতুন এক শাবক (পুরুষ)। ইতোমধ্যে পার্ক কর্তৃপক্ষ তার নাম দিয়েছে ‘চমক’।   ১৯ ডিসেম্বর জেব্রা পরিবারে  নতুন এই শাবকের জন্ম হয়। আর নতুন শাবক পেয়ে আনন্দে ভাসছে জেব্রা ও সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। 


সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া এই শাবকটি সারাক্ষণ দুষ্টুমিতে মাতিয়ে রাখছে পার্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের সহকারী ভেটেরিনারি সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান জানান, জেব্রার সদ্যজাত এই শাবকটির ওজন প্রায় ৩০ কেজি। শাবকটি সুস্থ রয়েছে। সে তার মা-বাবার সাথে সময় কাটাচ্ছে।  তিনি বলেন, পার্কে আরেকটি জেব্রা রয়েছে ‘চম্পা’। তার ঘরে এখনো কোনো শাবক জন্ম নেয়নি। 


এই নিয়ে পার্কে মোট জেব্রার সংখ্যা হলো চারটি।  বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ বলেন, জেব্রা মূলত অশ্ব পরিবারের আফ্রিকান স্তন্যপায়ী প্রাণী। তাদের গায়ে সাদা-কালো ডোরা দাগের জন্য পরিচিত। এরা সামাজিক প্রাণী। ছোট ছোট দল বেঁধে তারা ঘুরে বেড়ায়। জেব্রা সাধারণত ৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা ও ৩০০ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়।  


তিনি আরও বলেন, ‘সংরক্ষিত বেষ্টনী নির্মাণ করার ফলে জেব্রাগুলো আফ্রিকান পরিবেশ ফিরে পেয়েছে। জেব্রা খুব স্পর্শকাতর প্রাণী। পরিবেশ পছন্দ না হলে তারা বাচ্চা দেয় না। এই পার্কে জেব্রা প্রথমবারের মতো শাবকের জন্ম দিয়েছে। এটা আমাদের জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ।’  সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সাফারি পার্কের পূর্ব-দক্ষিণ অংশে ৩৫০ একর জায়গা জুড়ে জেব্রার জন্য আলাদা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।


 যে কারণে তাদের চলাফেরা বা শাবক জন্ম দেয়ার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সদ্যজাত শাবকটি তার মা-বাবার সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। খিদে পেলেই মায়ের কাছে যাচ্ছে দুগ্ধ পানের জন্য। মাও পরম মমতায় তার সদ্যজাত শাবককে বুকের দুগ্ধ পান করাচ্ছে।  সাফারি পার্ক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ মে যশোরের শার্শা উপজেলার সাতমাইল গরুর হাট থেকে ৯টি জেব্রা উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের পরই একটি জেব্রা মারা যায়। অন্য আটটি জেব্রা গাজীপুরের শ্রীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে নেয়া হয়। তখন ওই পার্কে আগে থেকে ১৪টি জেব্রা ছিল।  





পরে চকরিয়াস্থ ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে কোনো জেব্রা না থাকায় কর্তৃপক্ষ পাঁচটি জেব্রা এই পার্কে হস্তান্তর করে। তবে পাঁচটি জেব্রার মধ্যে একটি জেব্রা মারা যায়। পরবর্তী সময়ে আরও একটি জেব্রা অসুস্থতাজনিত কারণে মারা যায়।  ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের সহকারী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জেব্রাগুলো নিয়ে আসার পর ২৫০ একর জায়গার ওপর বেষ্টনী নির্মাণ করে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর ২০১৯-২০ অর্থবছরে জেব্রার জন্য চারণভূমি সৃজন করা হয়।  তিনি বলেন, ‘এরা মূলত স্তন্যপায়ী প্রাণী। 


তাদের খাবারের জন্য বাঁশ, শাপলা, কলমিলতা, মেলনি পাতা, বিডরী পাতা, পিটালী পাতা, ঝাড়ফুল, সান ঘাস, প্যারাঘাস লাগানো হয়। জেব্রার জন্য এসব খাবারের বাইরে ভুসি, গাজর, শসা, ভুট্টা ভাঙা ও ছোলার ব্যবস্থা করা হয়।’   এসপিদের হতে হবে রোল মডেল: আইজিপি এসপিদের হতে হবে রোল মডেল: আইজিপি   আরও পড়ুন সোমবার ঢাকার যেসব স্থানে যাবেন না লিডসের জালে অর্ধডজন গোল দিলো ম্যানইউ দ্বিতীয় ধাপে পৌর মেয়রে ২৬২ জনসহ ৩৫৬২ মনোনয়ন জমা জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) অনুকরণীয় ‘রোল মডেল’ হতে হবে।


 বাংলাদেশ পুলিশের মর্যাদা ও সম্মান বাড়াতে হবে। ‘চেঞ্জ মেকার’ হিসেবে দেশের জন্য জনগণের জন্য কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি)  ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)।  রোববার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলনকক্ষ শাপলায় ১৩টি জেলায় নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।  


 এ সময় পুলিশপ্রধান বলেন, ‘ব্রুটালিটি’ বা নির্যাতনকে চিরতরে কবর দিতে হবে। জনগণের সঙ্গে মিশতে হবে, তাদের সমস্যা শুনতে হবে। মানুষকে ভালোবাসতে হবে, তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে। মানুষকে ভালোবাসলে তাদেরও ভালোবাসা পাওয়া যায়, করোনা আমাদের তা দেখিয়ে দিয়েছে।  আইজিপি বলেন, আমরা দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত পুলিশ দেখতে চাই। পুলিশে দুর্নীতিবাজ ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের স্থান নেই।   


আইজিপি আরও বলেন, সারাদেশে ইতোমধ্যে বিট পুলিশিং কার্যক্রম চালু হয়েছে। কার্যকরভাবে বিট পুলিশিং বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধী, অপরাধপ্রবণতা ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পুলিশের কাছে থাকে।   তিনি বলেন, ফোর্সের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ডিসিপ্লিনের প্রতিও নজর রাখতে হবে। ওয়েলফেয়ার এবং ডিসিপ্লিনকে মেলানো যাবে না।   


অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   পুলিশ সুপার পদায়নকৃত ১৩টি জেলার মধ্যে কুড়িগ্রাম, রাঙামাটি, মাগুরা, গাজীপুর, শেরপুর, ঠাকুরগাঁও, পাবনা, বরগুনা, রাজবাড়ী, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, গোপালগঞ্জ ও বরিশাল রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.